নগর নাব্য: চলচ্চিত্র চালচিত্র
বছর ঘুরে নগর নাব্য আবারো মলাটবদ্ধ। নাগরিক সাংবাদিকরা বিষয় নির্বাচনে এবারো চিন্তাশীল। নাগরিক অভিজ্ঞতায় এবারের খাত চলচ্চিত্র। কারণ এই নাগরিকরাই তো দর্শক; যাদের জন্য সিনেমা নির্মিত হয়। এই নাগরিকরাই সেই দর্শক, যাদের উপস্থিতি সিনেমাকে ব্যবসাসফল করে। আবার এই নাগরিকরাই তো সেই দর্শক, যারা বাংলাদেশের সিনেমা থেকে মুখ ফিরিয়ে বন্ধ করেছিল সিনেমা হলে যাওয়া!
সেকালের বায়োস্কোপ থেকে শুরু করে একালের সিনেপ্লেক্স- বাংলা সিনেমা পেরিয়ে যাচ্ছে ১২৮ বছর। ঢাকাই সিনেমা পার করছে ৯১ বছর। প্রথম সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশ পেরিয়েছে ৬০ বছরেরও অধিক গৌরবকাল। তবুও বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ধস! কেন? কীভাবে?
নাগরিকরা চলচ্চিত্রের চড়াই-উৎরাই বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছে হল সংকট, কাহিনি সংকট, লগ্নি সংকট, পেশাদারিত্ব সংকট, প্রযুক্তি সংকট এবং মৌলবাদ কী করে চলচ্চিত্রশিল্পকে স্থবির করে তুলছিল। নাগরিক সাংবাদিকরা চলচ্চিত্রের প্রতি টান থেকে প্রস্তাবনাও দিয়েছে সংকট উত্তরণের। এসেছে ঠাকুরগাঁওয়ে সিনেপ্লেক্স নির্মাণের প্রস্তাবনা। নাগরিক সাংবাদিকরা বলছে বাংলাদেশের সিনেমার বক্সঅফিস চাই; চাই পেশাদার চলচ্চিত্র সমালোচক। এখন প্রয়োজন চলচ্চিত্রশিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের এই নাগরিক আহবানে যুক্ত হওয়া।
নাগরিক সাংবাদিকরা বারবার বলতে চেয়েছে দর্শক বাংলাদেশের সিনেমা দেখতে চায়, দর্শক সিনেমা হলে ফিরতে চায়। চলচ্চিত্র জগত তাহলে আর দর্শক চাহিদা পূরণে পিছিয়ে থাকবে কেন!
নাগরিক সাংবাদিকদের স্মৃতিচারণে ও প্রতিবেদনে শব্দগাঁথুনির তুলনামূলক অপরিপক্কতা থাকতে পারে, কিন্তু এক মলাটে নাগরিকদের নিখাদ অভিব্যক্তির সমন্বয়ে চলচ্চিত্রকে দেখার এই প্রচেষ্টা একটি অনবদ্য নিবেদন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের প্রতি।
প্রচ্ছদ: মোতাসিম বিল্লাহ্ পিন্টু
আইএসবিএন: ৯৭৮-৯৮৪-৯৩০৯০-০-০
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৬৪
মূল্য: ৪০০ টাকা
প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০১৮
বছর ঘুরে নগর নাব্য আবারো মলাটবদ্ধ। নাগরিক সাংবাদিকরা বিষয় নির্বাচনে এবারো চিন্তাশীল। নাগরিক অভিজ্ঞতায় এবারের খাত চলচ্চিত্র। কারণ এই নাগরিকরাই তো দর্শক; যাদের জন্য সিনেমা নির্মিত হয়। এই নাগরিকরাই সেই দর্শক, যাদের উপস্থিতি সিনেমাকে ব্যবসাসফল করে। আবার এই নাগরিকরাই তো সেই দর্শক, যারা বাংলাদেশের সিনেমা থেকে মুখ ফিরিয়ে বন্ধ করেছিল সিনেমা হলে যাওয়া!
সেকালের বায়োস্কোপ থেকে শুরু করে একালের সিনেপ্লেক্স- বাংলা সিনেমা পেরিয়ে যাচ্ছে ১২৮ বছর। ঢাকাই সিনেমা পার করছে ৯১ বছর। প্রথম সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশ পেরিয়েছে ৬০ বছরেরও অধিক গৌরবকাল। তবুও বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ধস! কেন? কীভাবে?
নাগরিকরা চলচ্চিত্রের চড়াই-উৎরাই বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছে হল সংকট, কাহিনি সংকট, লগ্নি সংকট, পেশাদারিত্ব সংকট, প্রযুক্তি সংকট এবং মৌলবাদ কী করে চলচ্চিত্রশিল্পকে স্থবির করে তুলছিল। নাগরিক সাংবাদিকরা চলচ্চিত্রের প্রতি টান থেকে প্রস্তাবনাও দিয়েছে সংকট উত্তরণের। এসেছে ঠাকুরগাঁওয়ে সিনেপ্লেক্স নির্মাণের প্রস্তাবনা। নাগরিক সাংবাদিকরা বলছে বাংলাদেশের সিনেমার বক্সঅফিস চাই; চাই পেশাদার চলচ্চিত্র সমালোচক। এখন প্রয়োজন চলচ্চিত্রশিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের এই নাগরিক আহবানে যুক্ত হওয়া।
নাগরিক সাংবাদিকরা বারবার বলতে চেয়েছে দর্শক বাংলাদেশের সিনেমা দেখতে চায়, দর্শক সিনেমা হলে ফিরতে চায়। চলচ্চিত্র জগত তাহলে আর দর্শক চাহিদা পূরণে পিছিয়ে থাকবে কেন!
নাগরিক সাংবাদিকদের স্মৃতিচারণে ও প্রতিবেদনে শব্দগাঁথুনির তুলনামূলক অপরিপক্কতা থাকতে পারে, কিন্তু এক মলাটে নাগরিকদের নিখাদ অভিব্যক্তির সমন্বয়ে চলচ্চিত্রকে দেখার এই প্রচেষ্টা একটি অনবদ্য নিবেদন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের প্রতি।
প্রচ্ছদ: মোতাসিম বিল্লাহ্ পিন্টু
আইএসবিএন: ৯৭৮-৯৮৪-৯৩০৯০-০-০
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৬৪
মূল্য: ৪০০ টাকা
প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০১৮
নগর নাব্য: চলচ্চিত্র চালচিত্র

