তেহাত্তরের নির্বাচন

৳560.00 ৳700.00 (20.00% Discount )

Why should you read this book?

  • যে বোঝে সে খোঁজে

    বইটি কেন পড়বেন?

    • সুই থেকে বিমান যে কোনো কিছু যে কোনো পরিস্থিতিতে বিক্রি করতে পারবেন।
    • ইমোশনাল মার্কেটিং কীভাবে ক্রেতাকে বশীভূত করে এবং ক্রেতা কীভাবে আপনার পণ্য কেনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে তা জানতে পারবেন।
    • ছোট বাজেটে বড় ব্র্যান্ডিং ও প্রমোশন করতে পাবলিক রিলেশনস বা পিআর মার্কেটিং কৌশল রপ্ত করতে পারবেন।
    • ইন্টারনেটে বিপ্লব সৃষ্টি করা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিক্রয়ের কৌশল জানতে পারবেন।
    • নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ১৫০টি বিজনেস আইডিয়া ও মডেল সম্পর্কে ধারণা পাবেন।
    • বিশ্বসেরা ও সফল ১০০টি বিজ্ঞাপন আইডিয়া সম্পর্কে জানতে পারবেন।
    • পণ্য, সেবা বা আইডিয়া বিক্রয়ের সূক্ষ্ম কৌশল সম্পর্কে ধারণা পাবেন ১০১টি বিক্রয় ম্যাজিক অধ্যায় থেকে।

তেহাত্তরের নির্বাচন স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় বাহাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে। এই সংবিধানের ভিত্তিতে দেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ। নির্বাচনে জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্ডিতা করেন বিভিন্ন্ রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থিরা। তাদের সংখ্যা হাজারের উপর। স্বাধীন দেশের প্রথম সাধারাণ নির্বাচন নিয়ে যথেষ্ট আগ্রহ, উৎসাহ ও মাতামাতি ছিল। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একচেটিয়া জয় পায়। বিরোধী দলগুলো নির্বাচনে জালভোট, কারচুপি ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তোলে। বেশ কয়েকটি আসনের ফলাফল ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। আওয়ামী লীগ ছিল ওই সময়ের সবচেয়ে সংগঠিত রাজনৈতিক দল। নির্বাচনে তাদেরই জয়ের সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু ফলাফলে দেখা যায়, বিরোধী দলের মাত্র দুজন এবং নির্দল পাঁচজন প্রার্থী, সাকল্যে এই সাতজন আওয়ামী বলয়ের বাইরে থেকে নির্বাচিত হতে পেরেছিলেন। বিষয়টি ছিল দৃষ্টিকটু। দেশের পত্র-প্ত্রিকায় এই নির্বাচনের নানান খবর বিস্তারিতভাবে ছাপা হয়েছে। পত্রিকাগুলো বেশিরভাগই ছিল সরকারের কিংবা সরকার সমর্থক ব্যাক্তিদের মালাকানায়। অন্যতম ব্যাতিক্রম ছিল দৈনিক ‘গণকণ্ঠ’। ‘গণকণ্ঠ’ পত্রিকায় প্রকাশিত নির্বাচন সংক্রান্ত খবর ও মন্তব্যগুলো নিয়ে এই বইটি সাজানো হয়েছে। এ বই আমাদের নিয়ে যাবে পাঁচ দশক আগের সময়টিতে।

0/5

0 % Rating

0%
0%
0%
0%
0%